📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৩ পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা: সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে একটিও পৌরসভা নেই

২৩ পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা: সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে একটিও পৌরসভা নেই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী ও নাটোরের ২৩টি পৌরসভার মধ্যে ২২টিতে বর্জ্য ফেলা হয় রাস্তা, নদী ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায়। শুধু কাটাখালী পৌরসভার বর্জ্য সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে যায়। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধ ও দূষণের শিকার

রাজশাহী ও নাটোরের ২৩টি পৌরসভার মধ্যে ২২টি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ব্যর্থতা দেখাচ্ছে। বর্জ্য ফেলা হয় রাস্তার ধারে, নদীতে, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনের বাইরে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধ, দূষণ ও পরিবেশগত ক্ষতির শিকার। শুধু কাটাখালী পৌরসভার বর্জ্য সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী ও নাটোরের ২৩টি পৌরসভার মধ্যে ২২টি বর্জ্য ফেলা হয় রাস্তা, নদী ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায়
  • 📌 শুধু কাটাখালী পৌরসভার বর্জ্য সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে যায় — ২৩টি পৌরসভার একটিরও নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই
  • 📌 পুঠিয়া পৌরসভার বর্জ্য আগে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কের পাশে ফেলা হতো, পরে পুড়িয়ে দেওয়া হতো — এতে গাছ মারা গিয়ে নতুন জায়গায় ফেলা শুরু
  • 📌 ঝলমলিয়াহাট ও কলাহাটের বর্জ্যের কারণে স্থানীয়রা ঘুরে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে বাধ্য
  • 📌 কাঁকনহাট পৌরসভার বর্জ্য ফেলার কারণে দুটি বড় মেহগনি গাছ মারা গেছে
  • 📌 বনপাড়া পৌরসভার বর্জ্য ফেলার কারণে ছয়টি গাছ মারা গেছে, তার মধ্যে গাড়ি এসে বর্জ্য ঢালছে
  • 📌 স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেছেন, পৌরসভাগুলো ডাম্পিং স্টেশন করার জন্য জমি খুঁজছেন
  • 📌 নাটোরের উপপরিচালক শামীম হোসেন বলেছেন, পৌরসভা হওয়ার আগেই ভাগাড় ঠিক করা দরকার, বর্তমান অবস্থা ‘ভালো বাড়ির মতো বাথরুম না থাকা’-এর সমতুল্য

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী ও নাটোরের ২৩টি পৌরসভার মধ্যে ২২টি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ ব্যর্থতা দেখাচ্ছে। বর্জ্য ফেলা হয় রাস্তার ধারে, নদীতে, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনের বাইরে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধ, দূষণ ও পরিবেশগত ক্ষতির শিকার। শুধু কাটাখালী পৌরসভার বর্জ্য সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে যায়।

পুঠিয়া পৌরসভার বর্জ্য আগে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কের পাশে ফেলা হতো। কিছুদিন পরপর সেসব বর্জ্য পুড়িয়ে দেওয়া হতো। এতে রাস্তার পাশে লাগানো গাছ মারা যাওয়ার পর নতুন জায়গায় ফেলা শুরু হয়েছে। পৌর এলাকার কানাইপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও উপজেলার ধোকড়াকুল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক শাখাওয়াত মুন্সী প্রথম আলোকে বলেন, “পৌরসভার বর্জ্য নিয়ে কথা বলতে বলতে আমরা ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছি। একসময়ের প্রবহমান মুসাখান নদ বর্জ্য ফেলে একেবারে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। ঝলমলিয়াহাট ও কলাহাটের বর্জ্যের কারণে আমাদের মহল্লার লোকজনকে ঘুরে অন্য এলাকা দিয়ে প্রধান সড়কে উঠতে হয়। বছরখানেক আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)কে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

কাঁকনহাট পৌরসভার বর্জ্য পৌর এলাকার গড়গড়িয়া এলাকায় রাস্তার ধারে ফেলা হয়। স্থানীয় লোকজন বলছেন, দীর্ঘদিন থেকে বর্জ্য ফেলার কারণে দুটি বড় মেহগনিগাছ মারা গেছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সরেজমিন দেখা যায়, সেখানে বর্জ্য ফেলা অব্যাহত রয়েছে। রাস্তার পাশে জমিতে হাসান আলী নামের এক ব্যক্তিকে কাজ করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, “বাতাস যেদিকে যায়, দুর্গন্ধ সেদিকেই যায়। তখন দাঁড়ানো যায় না।”

বনপাড়া পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হয় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের পাশে। সেখানে বর্জ্য ফেলার কারণে রাস্তার পাশের গাছপালা মারা যাচ্ছে। সম্প্রতি সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তাল, খেজুরগাছসহ ছয়টি গাছ ইতিমধ্যে মারা গেছে। তার মধ্যে গাড়ি এসে বর্জ্য ঢালছে। পৌর প্রশাসক ও বড়াইগ্রামের ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বর্জ্যের কারণে জনদুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, “গobierno থেকে চিঠি এসেছে। খাস জমি পেলে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করতে বলা হয়েছে। আমরা জমি খুঁজছি।”

স্থানীয় সরকার বিভাগের রাজশাহীর উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, “পৌরসভার একটি মৌলিক চাহিদা হচ্ছে ডাম্পিং স্টেশনে। আমি সদ্য এসেছি। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে কোনোটার ভাগাড়ের অনুমোদন আছে কি না। আমি তাহেরপুর পৌরসভা পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি তাদের ভাগাড়ের অনুমোদন আছে, কিন্তু তারা করেনি। এ জন্য তাদের তাগাদা দিয়ে এসেছি। বাকিগুলো খোঁজখবর নিয়ে দেখবো।”

নাটোরের উপপরিচালক শামীম হোসেন বলেন, “আমি মনে করি পৌরসভা হওয়ার আগেই ভাগাড়টা ঠিক করা দরকার। কিন্তু পৌরসভার সব কার্যক্রম চলছে, ভাগাড়টা হচ্ছে না। যেমন যত ভালো বাড়িই হোক, তাতে যদি বাথরুম না থাকে, তাকে ভালো বাড়ি বলা যায় না। এত দিন জনপ্রতিনিধিরা এভাবেই চালিয়েছেন। নাটোরের সদরেরটা বোধ হয় হচ্ছে।” তিনি বলেন, ঢাকায় এ ব্যাপারে কথা তুলেছিলেন। তাঁকে বলা হয়েছে, এগুলো ধাপে ধাপে হবে।

"পৌরসভার বর্জ্য নিয়ে কথা বলতে বলতে আমরা ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছি। একসময়ের প্রবহমান মুসাখান নদ বর্জ্য ফেলে একেবারে শেষ করে দেওয়া হয়েছে।" — শাখাওয়াত মুন্সী, শিক্ষক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, নাটোর, পুঠিয়া, কাটাখালী, ঝলমলিয়াহাট, কলাহাট, বনপাড়া, কাঁকনহাট, গোদাগাড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাখাওয়াত মুন্সী, শিবু দাস, হাসান আলী, আলতাফ হোসেন, নজরুল ইসলাম, শামীম হোসেন, লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩টি পৌরসভা, ২২টি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যর্থ, ১৮ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖