📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২১ বছর পরও পৌর ভবন না পেয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা হারায় ২০ লাখ বরাদ্দ: চাঁদপুরের এই দুর্দশা

২১ বছর পরও পৌর ভবন না পেয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা হারায় ২০ লাখ বরাদ্দ: চাঁদপুরের এই দুর্দশা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নিজস্ব ভবন না থাকায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বিশেষ বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২৯৩টি পৌরসভার মধ্যে ৫১টি পাচ্ছে ৩০ লাখ টাকা করে, বাকিগুলো ২০ লাখ টাকা করে। ফরিদগঞ্জের নাম এই তালিকায় নেই

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ২১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিজস্ব ভবন না থাকায় সরকারি বরাদ্দ হারিয়ে ফেলেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০২৬–২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে ‘বিশেষ বরাদ্দ’ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পিছনে মূল কারণ হলো পৌরসভার নিজস্ব কোনো ভবন না থাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নিজস্ব ভবন না থাকায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের ২০ লাখ টাকার বিশেষ বরাদ্দ হারানো হয়েছে।
  • 📌 ২৯৩টি পৌরসভার মধ্যে ৫১টি পাচ্ছে ৩০ লাখ টাকা করে, বাকিগুলো ২০ লাখ টাকা করে — ফরিদগঞ্জের নাম তালিকায় নেই।
  • 📌 ২০০৫ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু হওয়া ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ২১ বছরেও নিজস্ব ভবন নির্মাণ সম্ভব হয়নি।
  • 📌 পৌরসভার দাফতরিক কার্যক্রম চলছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি পরিত্যক্ত ভবনে।
  • 📌 ডাকবাংলোর কাছে ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় চার শতাংশ জমি রয়েছে, কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণে কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

📰 বিস্তারিত

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নিজস্ব ভবন না থাকায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে ‘বিশেষ বরাদ্দ’ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে চলতি অর্থবছরের বাজেটে পৌরসভাসমূহের জন্য ‘বিশেষ বরাদ্দ’ উপখাতে বরাদ্দকৃত অর্থ অবমুক্ত করা হয়েছে। ২৯৩টি পৌরসভার মধ্যে ৫১টি পৌরসভা পাচ্ছে ৩০ লাখ টাকা করে, বাকী পৌরসভাগুলো পাবে ২০ লাখ টাকা করে। তবে ফরিদগঞ্জের নাম এই তালিকায় নেই।

অর্থ বিভাগের বাজেটে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন পৌরসভাসমূহের পৌর ভবন ও অন্যান্য ভবন, অডিটরিয়াম, ডাকবাংলো, হাটবাজার ও মার্কেটসমূহে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও জাতীয় গ্রিডে তা সরবরাহের লক্ষ্যে সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নিজস্ব কোনো ভবন না থাকায় এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান মানিক বলেছেন, ‘ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নিজস্ব কোনো ভবন নেই। মূলত সে কারণেই আমরা এই বিশেষ বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছি। যেসব পৌরসভার নিজস্ব ভবন আছে, তারা প্রত্যেকেই এ বরাদ্দ পেয়েছে।’

২০০৫ সালে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হলেও প্রতিষ্ঠার ২১ বছরেও নিজস্ব ভবন নির্মাণ তো দূরের কথা, জমি অধিগ্রহণ বা ক্রয়ও করা সম্ভব হয়নি। পৌরসভার তথ্যমতে, ডাকবাংলোর কাছে ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় চার শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমি ব্যবহার কিংবা নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে গত দুই দশকে দায়িত্ব পালন করা কোনো জনপ্রতিনিধি বা সরকারি প্রশাসকই সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি পরিত্যক্ত ভবনে কোনোমতে চলছে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার দাফতরিক কার্যক্রম।

"ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নিজস্ব কোনো ভবন নেই। মূলত সে কারণেই আমরা এই বিশেষ বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছি। যেসব পৌরসভার নিজস্ব ভবন আছে, তারা প্রত্যেকেই এ বরাদ্দ পেয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান মানিক (ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ বছর, ২০ লাখ টাকা, ২৯৩টি পৌরসভা, ৫১টি পৌরসভা, ৩০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖