📌 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ১১৫ বছর বয়সী হাজী মুনসুর আলী অসুস্থ হলেও বড় ছেলে আব্দুল কাদির জমি লিখে না দেওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন। বাড়ির সামনে টিনের বেড়া দিয়েছেন। পুলিশ ও ইউএনও হস্তক্ষেপে উদ্ধার করার ব্যবস্থা নিচ্ছেন
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় একটি পরিবারের মধ্যে জমি দাবিতে সৃষ্ট সংকটে ১১৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ হাজী মুনসুর আলীর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও বড় ছেলে আব্দুল কাদির জমির দাবি মেনে না নেওয়ায় বাবাকে আটকে রেখেছেন। বাড়ির সামনে টিনের বেড়া দিয়েছেন যাতে অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১১৫ বছর বয়সী হাজী মুনসুর আলী** অসুস্থ হলেও বড় ছেলে **আব্দুল কাদির** জমি লিখে না দেওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন
- 📌 **বাড়ির সামনে টিনের বেড়া** দিয়েছেন যাতে অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না হয়
- 📌 **মোহাম্মদ আবু সাঈদ** বলেছেন, বাবার শরীরে পচন ধরেছে, বড় ভাইয়ের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন
- 📌 **শ্রীপুর উপজেলা ইউএনও জাহিদ ভূঞা** ও **তেলিহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন মুরাদ** হস্তক্ষেপ করে পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করার ব্যবস্থা নিচ্ছেন
- 📌 **বৃদ্ধের নাতি বাচ্চু মিয়া** বলেছেন, বড় মামার বাঁধার কারণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের আবদার গ্রামের **হাজী মুনসুর আলী** (১১৫) বয়সী। তিনি অসুস্থ হলেও বড় ছেলে **আব্দুল কাদির** (৮০) জমির দাবি মেনে না নেওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন না। বাড়ির সামনে টিনের বেড়া দিয়েছেন যাতে অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না হয়।
ভুক্তভোগী **হাজী মুনসুর আলী** ছিলেন **কাজিম উদ্দিনের** সন্তান। তার বড় ছেলে **আব্দুল কাদির** জমির দাবি মেনে না নেওয়ায় পরিবারের অন্য সদস্যরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। **মোহাম্মদ আবু সাঈদ**, বৃদ্ধের ছোট ছেলে, বলেছেন, “বাবা আজ মৃত্যুশয্যায়। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যন্ত নিয়ে যেতে দিচ্ছে না। বাসার সামনে টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। জমি লিখে না দিলে বাবাকে চিকিৎসা করতে দিবেনা বড়ভাই।”
অভিযুক্ত **আব্দুল কাদির** বলেছেন, “আমার অংশের জমি লিখে দেওয়া না পর্যন্ত হাসপাতালে নিতে দেব না। এতে আমার জেল ফাঁস হলেও সমস্যা নেই। আগে সম্পদ লিখে দিয়ে হাসপাতালে নিতে হবে।”
বৃদ্ধের নাতি **বাচ্চু মিয়া** বলেছেন, “নানাকে চিকিৎসা করানোর জন্য মা’কে নিয়ে আসছি। কিন্তু বড় মামার বাঁধের কারণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাড়ির সামনে দেওয়া হয়েছে বেড়া। অনেক চেষ্টা তদবির করে নানাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও স্যারের আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে।”
"আমার অংশের জমি লিখে দেওয়া না পর্যন্ত হাসপাতালে নিতে দেব না। এতে আমার জেল ফাঁস হলেও সমস্যা নেই। আগে সম্পদ লিখে দিয়ে হাসপাতালে নিতে হবে।"
তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান **মো. মোবারক হোসেন মুরাদ** বলেছেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় ইতিমধ্যে গ্রাম পুলিশের সদস্যের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বৃদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) **জাহিদ ভূঞা** বলেছেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহায়তায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা, তেলিহাটি ইউনিয়ন, আবদার গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাজী মুনসুর আলী (১১৫), আব্দুল কাদির (৮০), মোহাম্মদ আবু সাঈদ, বাচ্চু মিয়া, ইউএনও জাহিদ ভূঞা, মোবারক হোসেন মুরাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৫ বছর (বৃদ্ধের বয়স), ৮০ বছর (আব্দুল কাদিরের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!