📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কন্নড় চলচ্চিত্রের রেকর্ড ভেঙ্গে ১১০ কোটি আয়! পরিচালক মনোজ কুমারের প্রত্যাবর্তন থেকে শুরু হওয়া অদ্ভুত সফর

কন্নড় চলচ্চিত্রের রেকর্ড ভেঙ্গে ১১০ কোটি আয়! পরিচালক মনোজ কুমারের প্রত্যাবর্তন থেকে শুরু হওয়া অদ্ভুত সফর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাত্র ২.৫ কোটি টাকা বাজেটে নির্মিত কন্নড় সিনেমা ‘প্রেমাদা উরাল্লি’ বক্স অফিসে ১১০ কোটি টাকা আয় করে রেকর্ড গড়েছে। পরিচালক মনোজ কুমার পাঁচ বছর বেকার থাকার পর এই সাফল্য অর্জন করেছেন। নির্মাতারা প্রচারের জন্য বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের মতো কার্ড ব্যবহার করে দর্শকদের আকর্ষণ করেছেন

কন্নড় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি অদ্ভুত সফর শুরু হয়েছে ‘প্রেমাদা উরাল্লি’ নামের ছবির মাধ্যমে। মাত্র আড়াই থেকে তিন কোটি টাকা বাজেটে নির্মিত এই সিনেমা বক্স অফিসে ১১০ কোটি টাকা আয় করে রেকর্ড গড়েছে। নির্মাতারা মুক্তির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছিল, কিন্তু সফলতা আসার পর প্রযোজকদেরই পরিচালকের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাত্র ২.৫ কোটি টাকা বাজেটে নির্মিত ‘প্রেমাদা উরাল্লি’ বক্স অফিসে ১১০ কোটি টাকা আয় করেছে
  • 📌 পরিচালক মনোজ কুমার পাঁচ বছর বেকার থাকার পর এই সাফল্য অর্জন করেছেন
  • 📌 নির্মাণে অর্থ সংগ্রহ করতে মায়ের মঙ্গলসূত্র বন্ধক রাখার কথাও ভাবা হয়েছিল
  • 📌 প্রচারের জন্য বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের মতো কার্ড ব্যবহার করে দর্শকদের আকর্ষণ করা হয়েছিল
  • 📌 ৬০টি প্রদর্শনী থেকে শুরু করে, মুক্তির ১৩ দিনে ৪০ কোটি টাকা আয় করে
  • 📌 ১০ হাজারের বেশি অটোরিকশা স্টিকার ছাপিয়ে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

‘প্রেমাদা উরাল্লি’র সাফল্যের গল্পটি নির্মাতাদের নিজস্ব জীবনের মতোই নাটকীয়। নির্মাণের শুরুতে বাজেট ছিল মাত্র এক কোটি টাকা, কিন্তু শুটিং ও অন্যান্য খরচ বাড়তে থাকায় পরিচিতজনদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে হয়েছিল। ১৫ জন বিনিয়োগকারী ছবিটির সঙ্গে যুক্ত হন। নির্মাণের মান নিয়ে আপস করতে চাননি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। চিত্রগ্রাহক রাজকান্ত নিজের পরিচিতির সূত্র কাজে লাগিয়ে ক্যামেরা ও সরঞ্জাম ভাড়ায় ছাড় আদায় করেন। দিনে ৩০ হাজার টাকা লাগত এমন সরঞ্জাম পাওয়া যায় ১৫ হাজার টাকাতে। শতাধিক সদস্যের শুটিং দলকে আলাদা হোটেলে না রেখে অনুষ্ঠানস্থলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

প্রচারের জন্য নির্মাতারা বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের মতো কার্ড ছাপিয়ে মানুষের হাতে তুলে দেন। বাস, ট্রেন, বাসস্ট্যান্ড, মন্দির ও জনসমাগমের বিভিন্ন জায়গায় এই কার্ড বিতরণ করা হয়েছিল। পাশাপাশি কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশার পেছনে লাগানো হয় ১০ হাজারের বেশি আলোকপ্রতিফলক স্টিকার। এই প্রচারের পদ্ধতি ছবিটির সঙ্গে সাধারণ মানুষের একটা ব্যক্তিগত যোগাযোগ তৈরি করে।

২৫ সেপ্টেম্বর ৬০টি প্রদর্শনী থেকে মুক্তি পায় ‘প্রেমাদা উরাল্লি’। প্রথম দিনে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করে ছবিটি, কিন্তু দ্বিতীয় দিন থেকেই দর্শকের আগ্রহ বাড়তে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা এবং মুখে মুখে প্রশংসা ছড়িয়ে পড়ায় বাড়তে থাকে প্রদর্শনীর সংখ্যা। মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহে দৈনিক আয় কয়েক কোটি রুপিতে পৌঁছায়। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির ১৩ দিনের মধ্যে ছবিটির আয় ৪০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। পরে তা ১১০ কোটি টাকার বৈশ্বিক আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করে।

"একসময় যাঁরা ছবিটিতে অর্থ লগ্নি করতে চাননি, তাঁদের অনেকেই এখন সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কর্ণাটক, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনোজ কুমার (পরিচালক), রাজকান্ত এস কে (চিত্রগ্রাহক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০ কোটি টাকা (আয়), ২.৫ কোটি টাকা (বাজেট), ১৫ জন (বিনিয়োগকারী), ১০ হাজার (স্টিকার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖