📌 ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির সব শাখা ও এটিএম বুথে নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের নির্দেশে গ্রাহকদের স্বাভাবিক অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ৫৬.৪৪ শতাংশে পৌঁছেছে, লোকসান চলতে থাকে
১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির সব শাখা ও এটিএম বুথে গ্রাহকদের স্বাভাবিকভাবে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে নতুন সদস্যরা যোগদানের পর থেকে ব্যাংকিং সুশাসন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির সব শাখা ও এটিএম বুথে গ্রাহকদের স্বাভাবিক অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেলিতা মেহজাবীন সাক্ষাৎকালে এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
- 📌 ব্যাংকটির ৫৬.৪৪ শতাংশ ঋণ খেলাপি, যা প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। নিরাপত্তা সঞ্চিতির ঘাটতি ২০ হাজার কোটি টাকা।
- 📌 ২০২৪ সালে ব্যাংকটি ১ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। এখনো লোকসান চলছে।
- 📌 ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপের পর সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ থেকে ব্যাংকটি মুক্ত হয়। এখন পরিচালনা পর্ষদে মাল্টিমোড, হোসাফ ও আর্মানা গ্রুপের সদস্যরা রয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেলিতা মেহজাবীন ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হক আজ বৃহস্পতিবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. হাবিবুর রহমান, মো. কবির আহমাদ, মো. সরোয়ার হোসেন ও মো. আনিছুর রহমান। গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ন্যাশনাল ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি ও আমানতকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা জানান। তিনি অমানতকারীদের স্বার্থরক্ষা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন।
ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে আগে সিকদার গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ ছিল। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপের পর গ্রুপটি ব্যাংকের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায়। এখন ব্যাংকটির পরিচালনায় যুক্ত রয়েছেন মাল্টিমোড গ্রুপ, হোসাফ গ্রুপ ও আর্মানা গ্রুপের পরিবারের সদস্যরা। ব্যাংকটি আগের অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে এখনো সংকটে ভুগছে। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার, টানা লোকসান ও গ্রাহকদের অর্থ উত্তোলনের সমস্যা ব্যাংকটিকে চাপিয়ে দিচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ব্যাংকের দেওয়া মোট ঋণের ৫৬.৪৪ শতাংশ বর্তমানে খেলাপি, যা প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতির ঘাটতি আছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালে ব্যাংকটি ১ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। এখনো লোকসানে আছে তারা।
"ব্যাংকিং সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ঋণ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে। গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেলিতা মেহজাবীন, জাহিদুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর, ৫৬.৪৪%, ২৪ হাজার কোটি টাকা, ২০ হাজার কোটি টাকা, ১ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!