📌 ন্যাশনাল ব্যাংকের বিশেষ উদ্যোগের প্রথম দিনে গ্রাহকরা চাহিদার প্রায় অর্ধেক অর্থ উত্তোলন করেছেন। ১৮৮ কোটি টাকার চাহিদা থাকলেও ৭৫ কোটি টাকা উত্তোলন হয়েছে। দিলকুশা ও মতিঝিল শাখায় চাপ কম ছিল, নতুন আমানতও বেড়েছে
ন্যাশনাল ব্যাংকের বিশেষ উদ্যোগের প্রথম দিনে গ্রাহকরা চাহিদার প্রায় অর্ধেক অর্থ উত্তোলন করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেশজুড়ে টাকা উত্তোলনের জন্য ১৮৮ কোটি টাকার আবেদন পড়লেও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মাত্র ৭৫ কোটি টাকা উত্তোলন হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, বেশিরভাগ শাখায় গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। তবে গ্রাহকরা চাহিদার তুলনায় কম টাকা উত্তোলন করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮৮ কোটি টাকার চাহিদা থাকলেও গ্রাহকরা মাত্র ৭৫ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন
- 📌 দিলকুশা শাখায় গ্রাহকদের ২ কোটি টাকা চাহিদা ছিল, পরিশোধ করা হয়েছে ১.৫ কোটি টাকা
- 📌 মতিঝিল, দিলকুশা, বাংলা মোটর, যাত্রাবাড়ী ও ফকিরাপুল শাখায় চাপ তুলনামূলক কম ছিল
- 📌 দিলকুশা শাখায় নতুন করে ৫০ লাখ টাকা জমা হয়েছে
- 📌 যাত্রাবাড়ী শাখায় নতুন আমানতের পরিমাণ উত্তোলনের চেয়ে বেশি
- 📌 চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবিন বলেছেন, গ্রাহকরা ব্যাংক টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা যাচাই করতে এসেছিলেন
📰 বিস্তারিত
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ উদ্যোগের প্রথম দিনে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা প্রদানের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। দিলকুশা শাখার ব্যবস্থাপক মইনুল ইসলাম জানান, সেখানে গ্রাহকদের প্রায় ২ কোটি টাকা উত্তোলনের চাহিদা ছিল। দিন শেষে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কাউকে টাকা না দিয়ে ফেরত পাঠাতে হয়নি। একই শাখায় নতুন করে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আমানত জমা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক রশিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, সেখানে নতুন আমানতের পরিমাণ উত্তোলনের চেয়ে বেশি ছিল। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সেখানে প্রায় এক কোটি টাকা নতুন করে জমা হয়েছে। উত্তোলন হয়েছে তার তুলনায় প্রায় অর্ধেক। মতিঝিল, দিলকুশা, বাংলা মোটর, যাত্রাবাড়ী ও ফকিরাপুল এলাকার শাখায় গ্রাহকদের চাপ তুলনামূলক কম ছিল বলে জানানো হয়েছে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবিন বলেছেন, প্রথম দিনে দেশজুড়ে ১৮৮ কোটি টাকার উত্তোলন-চাহিদা জমা পড়েছিল। তবে গ্রাহকরা চাহিদার তুলনায় কম টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি বলেন, অনেকে ব্যাংক টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা যাচাই করতে শাখায় এসেছিলেন।
"অনেকে ব্যাংক টাকা দিতে পারবে কি না, তা যাচাই করতেও শাখায় এসেছিলেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিলকুশা, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, ফকিরাপুল, বাংলা মোটর (ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মইনুল ইসলাম (দিলকুশা শাখা ব্যবস্থাপক), মেলিতা মেহজাবিন (চেয়ারম্যান), রশিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (যাত্রাবাড়ী শাখা ব্যবস্থাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৮ কোটি টাকা (চাহিদা), ৭৫ কোটি টাকা (উত্তোলন), ২ কোটি টাকা (দিলকুশা চাহিদা), ১.৫ কোটি টাকা (দিলকুশা উত্তোলন), ৫০ লাখ টাকা (নতুন আমানত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!