📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগ অতিরিক্ত সুদ প্রলোভন দিয়ে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পুলিশের হাতে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও অন্যান্য সম্পদ উদ্ধার করা হয়। দুদকও তদন্তে জড়িত
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা অতিরিক্ত সুদ প্রলোভন দিয়ে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩) ২০১৯ সাল থেকে শ্রীনগর শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩) ১১-১২ শতাংশ অতিরিক্ত সুদ প্রলোভন দিয়ে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন
- 📌 গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের হাতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, একটি চেকবই, দুটি এটিএম কার্ড ও একটি ব্যাংক লকারের চাবি উদ্ধার করা হয়
- 📌 কর্মকর্তা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আত্মগোপনে চলে যান, গতকাল মিরপুর মডেল থানায় গ্রেপ্তার হন
- 📌 অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি নিরীক্ষা দল গঠন করা হয়েছে
- 📌 দুর্নীতি দমন কমিশনও বিষয়টি তদন্ত করছে
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শ্রীনগর প্লাজার দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির শ্রীনগর শাখায় কর্মরত কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগ অতিরিক্ত সুদ প্রদানের প্রলোভন দিয়ে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাত করতেন। পুলিশের তথ্য মতে, কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সিল ও ব্যাংকের ভাউচার ব্যবহার করে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কর্মকর্তা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আত্মগোপনে চলে যান এবং গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকার মিরপুর মডেল থানার মধ্য পাইকপাড়ায় বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন।
গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের হাতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, একটি চেকবই, দুটি এটিএম কার্ড ও একটি ব্যাংক লকারের চাবি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কর্মকর্তা নিজের পরিচয় ও ঠিকানা প্রকাশ করলেও আত্মসাত করা টাকার পরিমাণ এবং অর্থের অবস্থান সম্পর্কে সন্তোষজনক তথ্য দিতে পারেননি।
মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, পিপিএম বলেছেন, ‘গ্রাহকদের আমানতের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একজন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আত্মসাতের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে অডিট ও তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"গ্রাহকদের আমানতের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একজন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, ঢাকার মিরপুর মডেল থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩), মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১-১২ শতাংশ সুদ, ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, ৪৩ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!