📌 ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহক নিজ নিজ ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলন করতে না পেরে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। আদালত রুল জারি করে ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে এবং গ্রাহকদের আমানত উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিতে চায়
নিজ নিজ ব্যাংকে আমানত রাখা সত্ত্বেও অর্থ উত্তোলন করতে না পেরে ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহক হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ সোমবার রুল জারি করে ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে। রুলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চারজন গ্রাহককে তাদের নিজস্ব ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দিতে কেন আইনি কর্তৃত্বের বাইরে রাখা হয়েছে?
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ সেপ্টেম্বর রিট দায়ের করে ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহক: লাকি আক্তার, নাসিমা বেগম, মোছা. সাথী বেগম ও মো. আরিফ মিয়া
- 📌 হাইকোর্টের রুলে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে: গ্রাহকদের আমানত উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য কেন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি?
- 📌 আইনজীবী মারুফ উল আবেদ বলেন, গ্রাহকরা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে পৃথক পৃথক আবেদন করলেও প্রতিকার পাননি
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র ও আর্থিক সততা বিভাগে অভিযোগ করার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না পাওয়ায় রিট করা হয়
- 📌 আদালত রিট আবেদনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহক নিজ নিজ ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলন করতে না পেরে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেছেন। এই রিটের প্রাথমিক শুনানিতে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ রুল জারি করে ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে। রুলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চারজন গ্রাহককে তাদের নিজস্ব ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দিতে কেন আইনি কর্তৃত্বের বাইরে রাখা হয়েছে?
রিট আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে লাকি আক্তার, নাসিমা বেগম, মোছা. সাথী বেগম ও মো. আরিফ মিয়া। তারা নিজ নিজ ব্যাংকে অর্থ জমা রাখা সত্ত্বেও উত্তোলন করতে পারেননি। আইনজীবী মারুফ উল আবেদ বলেন, গ্রাহকরা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে পৃথক পৃথক আবেদন করলেও প্রতিকার পাননি। এরপর তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র এবং আর্থিক সততা ও গ্রাহকসেবা বিভাগে ই-মেইল ও পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগ করেন। কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ না পাওয়ায় তারা রিট দায়ের করেন।
আদালতের রুলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো থেকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। রুলে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ন্যাশনাল ব্যাংকের চার গ্রাহককে আমানতের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হয়নি?
"অর্থ না পেয়ে বিভিন্ন সময়ে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে পৃথক আবেদন করেন রিট আবেদনকারীরা। এতে প্রতিকার না পেয়ে নিজ নিজ সঞ্চয়ী হিসাব থেকে জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিতে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র এবং আর্থিক সততা ও গ্রাহকসেবা বিভাগে ই-মেইল ও পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগ করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ (হাইকোর্ট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাকি আক্তার, নাসিমা বেগম, মোছা. সাথী বেগম, মো. আরিফ মিয়া, আইনজীবী মারুফ উল আবেদ, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ সেপ্টেম্বর (রিট দায়েরের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!