📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মুনাফা এক বছরে ৫০০ কোটি টাকা কমে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা হয়েছে। একই সময়ে আমানতও ১১১ কোটি টাকা কমে ৮৭ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা হয়েছে
বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে ৯টি বিদেশি ব্যাংক। তাদের মুনাফা ও আমানত এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মোট মুনাফা এক বছরে ৫০০ কোটি টাকা কমে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা হয়েছে। একই সময়ে আমানতও ১১১ কোটি টাকা কমে ৮৭ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদেশি ব্যাংকগুলোর মুনাফা এক বছরে ৫০০ কোটি টাকা কমে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা হয়েছে
- 📌 আমানত এক বছরে ১১১ কোটি টাকা কমে ৮৭ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা হয়েছে
- 📌 বিদেশি ব্যাংকগুলোর মোট আমানতের মধ্যে ৩২ হাজার ৮০১ কোটি টাকা কম সুদের হিসাবে রয়েছে
- 📌 বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ এক বছরে ৩৪৯ কোটি টাকা বেড়েছে
- 📌 শিল্প খাতে বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ সর্বোচ্চ ২৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের কার্যক্রম: প্রবণতা ও পরিচালনাগত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মোট আমানতের মধ্যে ৩২ হাজার ৮০১ কোটি টাকা কম সুদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবের অর্থ রয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমানত বিদেশি মুদ্রায় খোলা হিসাবের মাধ্যমে, যা ১৭ হাজার ৮৮ কোটি টাকা। এছাড়াও মেয়াদি বা স্থায়ী আমানত রয়েছে ১২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।
ব্যাংকগুলো ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে বেশ সংযত থাকলেও, গত জুনের শেষে তাদের সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৩৪৯ কোটি টাকা। শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ সর্বোচ্চ, যা ছিল ২৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে, পরিবহন ও নির্মাণ খাতে ঋণ বিতরণ ছিল যথাক্রমে ১০ কোটি টাকা ও ৪২৮ কোটি টাকা।
বর্তমানে বাংলাদেশে ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬৭টি শাখা ও ৬টি উপশাখার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এগুলো হলো দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি), স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ (এসসিবি), সিটিব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, উরি ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও ব্যাংক আলফালাহ।
"বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মুনাফা ও আমানত কমে যাওয়ার কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা (প্রতিবেদন বিশ্লেষণকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ কোটি টাকা (মুনাফা কমে গেছে), ১১১ কোটি টাকা (আমানত কমে গেছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!