📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে ৯টি বিদেশি ব্যাংকের আমানত ও মুনাফা এক বছরে ১৭% কমে ৪৯৪ কোটি টাকা নষ্ট

বাংলাদেশে ৯টি বিদেশি ব্যাংকের আমানত ও মুনাফা এক বছরে ১৭% কমে ৪৯৪ কোটি টাকা নষ্ট

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ৯টি বিদেশি ব্যাংকের আমানত ও মুনাফা এক বছরে যথাক্রমে ১১১ কোটি ও ৪৯৪ কোটি টাকা কমেছে। গত জুনে তাদের মোট আমানত ছিল ৩২ হাজার ৮০১ কোটি টাকা, যেখানে ঋণ বিতরণের ৭০% গেছে শিল্প খাতে

বাংলাদেশে পরিচালিত ৯টি বিদেশি ব্যাংকের আমানত ও মুনাফা এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এই ব্যাংকগুলোর মোট আমানত ১১১ কোটি টাকা এবং মুনাফা ৪৯৪ কোটি টাকা বা প্রায় ১৭ শতাংশ কমেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ১৪ অক্টোবর, যেখানে ৬৭টি শাখা ও ৬টি উপশাখার হিসাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯টি বিদেশি ব্যাংকের মোট আমানত এক বছরে ১১১ কোটি টাকা কমে ৮৭ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে
  • 📌 মুনাফা কমে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা থেকে ২ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা — ৪৯৪ কোটি টাকা হ্রাস
  • 📌 বিদেশি ব্যাংকগুলোর ৩২ হাজার ৮০১ কোটি টাকা আমানত রয়েছে কম সুদের হিসাবে
  • 📌 ঋণ বিতরণে শিল্প খাতের অংশ ২৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা — সর্বোচ্চ
  • 📌 পরিবহন খাতে দেওয়া ঋণ মাত্র ১০ কোটি টাকা — সর্বনিম্ন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের কার্যক্রম: প্রবণতা ও পরিচালনাগত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর আমানত ও মুনাফা এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। গত জুনের হিসাব অনুযায়ী, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মোট আমানত ছিল ৮৭ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১১ কোটি টাকা কম। এছাড়াও, মুনাফা কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা থেকে ২ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা — অর্থাৎ ৪৯৪ কোটি টাকা কমেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর আমানতের বড় অংশই কম সুদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবের অর্থ। গত জুনের হিসাব অনুযায়ী, এই ধরনের আমানত ছিল ৩২ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমানত বিদেশি মুদ্রায় খোলা হিসাবের — ১৭ হাজার ৮৮ কোটি টাকা। মেয়াদি বা স্থায়ী আমানত ছিল মাত্র ১২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা। সাধারণত স্থায়ী আমানতের সুদহার বেশি থাকে, কিন্তু বিদেশি ব্যাংকে এই ধরনের আমানত কম রাখা হয়।

ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে বিদেশি ব্যাংকগুলো বেশ সংযত। গত জুনের হিসাব অনুযায়ী, তাদের সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৩৪৯ কোটি টাকা বেড়েছে। ঋণের বড় অংশ গেছে শিল্প খাতে — ২৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে, পরিবহন ও নির্মাণ খাতে দেওয়া ঋণ ছিল মাত্র ১০ কোটি টাকা — যা সর্বনিম্ন।

"বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর আমানত ও মুনাফা এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি প্রতিবেদনে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক (প্রতিবেদন প্রকাশক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি বিদেশি ব্যাংক, ১১১ কোটি টাকা আমানত কমে, ৪৯৪ কোটি টাকা মুনাফা কমে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖