📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করার প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে। বিকাশ, রবি, বাংলালিংকসহ ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, নোভা ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক পায় এই সুযোগ। ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের শর্তে শুরু হবে কার্যক্রম
বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা প্রসারিত করার লক্ষ্যে বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ চারটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক অনুমতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন শর্ত অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক চালু করতে হবে ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে, যা আগের সরকারের সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করার প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে: বিকাশ, রবি, বাংলালিংকসহ ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, নোভা ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক
- 📌 ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের শর্তে শুরু হবে কার্যক্রম — আগের সরকারের সময়ের ১২৫ কোটি টাকা থেকে দ্বিগুণ বেড়েছে
- 📌 প্রথমে ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে — সফল হলে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে
- 📌 কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে নতুন শর্ত পূরণ করতে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন সরকারের সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করার প্রাথমিক অনুমতি প্রদান করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে পরিচালনা পর্ষদের সভায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। এছাড়াও, আগে অনুমোদন পেয়েছিল কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক, কিন্তু নতুন শর্ত পূরণ করতে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল ব্যাংক চালু করতে হবে ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে, যা আগের সরকারের সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ। আগের সরকারের সময় এই শর্ত ছিল ১২৫ কোটি টাকা। নতুন শর্ত অনুযায়ী, প্রথমে ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এই সময়ে ব্যাংকের কার্যক্রম সফল হলে পরবর্তী ধাপে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে চূড়ান্ত লাইসেন্স নাও দেওয়া হতে পারে।
২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকারের সময় নানা প্রশাসনিক জটিলতায় সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে আর কোনো আবেদন না নিয়ে, আগের জমা পড়া আবেদনগুলো থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
"প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান। পরবর্তী ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নামতে পারবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, আরিফ হোসেন খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি প্রতিষ্ঠান, ৩০০ কোটি টাকা, ১২৫ কোটি টাকা, ১৩টি আবেদন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!