📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ২২টি লাইসেন্সবিহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করে তাদের ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। বিটিআরসি ও বিএফআইইউকে চিঠি পাঠিয়ে কার্যক্রম স্থগিতের অনুরোধ করা হয়েছে। অনুমোদনহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর ব্যবহারে আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান
বাংলাদেশ ব্যাংক ২২টি লাইসেন্সবিহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসি ও বিএফআইইউকে চিঠি পাঠিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধের অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অনুমোদনহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর ব্যবহারে গ্রাহকদের আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে এবং এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতারণার শিকার হলে বাংলাদেশ ব্যাংক দায়িত্ব নেবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২২টি লাইসেন্সবিহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর** শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, তাদের মধ্যে রয়েছে: বহুদূর পে, জিনিপে, পে-টিলার, বেঙলি পে, পেওরা বিডি, সহজপে বিডি, ইজিপে ওয়ে, একে পে, বিডি পে, সাজঘর পে, আস্থা পে, উদ্যোক্তাপে, ওয়ালেটমিক্স, বিটিটি পে, ইজিপে অটোমেশন, ইউনিকপে বিডি, বিডি অটো পে, আরএইচ পে বিডি, ইজি পে, অটো পে লিমিটেড, বিশ্বস্ত ও পিপড়াপে।
- 📌 **বিটিআরসি ও বিএফআইইউকে চিঠি পাঠিয়ে** এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 **অনুমোদনহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর** ব্যবহারে গ্রাহকদের অর্থ আটকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
- 📌 **পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর** হলো এমন প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণে সহায়তা করে, কিন্তু লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়ন্ত্রক নজরদারি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত নাও হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস সুপারভিশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর হিসেবে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করা বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে গ্রাহকদের সতর্ক করা হচ্ছে। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কেউ প্রতারণার শিকার হলে বাংলাদেশ ব্যাংক দায়িত্ব নেবে না।” তিনি আরও জানান, এ কারণে ২২টি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধ এবং গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপগুলো সরিয়ে নিতে বিটিআরসিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর মূলত ব্যবসায়ীদের জন্য একটি একক প্ল্যাটফর্ম যা বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণে সহায়তা করে। তবে অননুমোদিত পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটরের মাধ্যমে লেনদেনে আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কারণ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়ন্ত্রক নজরদারি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে, কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে তা নিশ্চিত নাও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর একসাথে বহু ব্যবসায়ীর লেনদেন পরিচালনা করতে পারে, ফলে কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে অনেক গ্রাহক ও ব্যবসায়ীর অর্থ অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
"অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে গ্রাহকদের সতর্ক করা হচ্ছে। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কেউ প্রতারণার শিকার হলে তার দায় বাংলাদেশ ব্যাংক নেবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ হোসেন খান (বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২টি লাইসেন্সবিহীন পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!